ছোট ভাইকে হত্যা মাদকের টাকার জন্য বাবাকে লাঞ্ছিত করায় ,ময়মনসিংহে মাদকের টাকার জন্য বাবাকে লাঞ্ছিত করায় ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশ সদস্য সাদ্দাম হোসেনকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বড় ভাই হাবিবুল করীম ও তাঁর দুই সহযোগী। হত্যার পর লাশ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
পুলিশ সদস্যের লাশ উদ্ধারের ঘটনা নিয়ে আজ সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছে পুলিশ। এর আগে গতকাল রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক চারটায় নিহত সাদ্দামের বড় ভাই হাবিবুল করীম ও তাঁর সহযোগী আনোয়ারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ সদস্য ছোট ভাইকে হত্যা মাদকের টাকার জন্য বাবাকে লাঞ্ছিত করায়
শনিবার বিকেলে ময়মনসিংহ শহরতলির বাদেকল্পা এলাকার একটি মেহগনিবাগান থেকে পুলিশ কনস্টেবল সাদ্দাম হোসেনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সাদ্দাম হোসেন সুনামগঞ্জ জেলায় কর্মরত ছিলেন। তবে গত ২৪ জানুয়ারি থেকে ছুটি না নিয়েই বাদেকল্পা এলাকার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কোতোয়ালি সার্কেল) শাহীনুল ইসলাম ফকির। তিনি বলেন, সাদ্দাম হোসেন মাদকাসক্ত থাকায় প্রায়ই ছুটি না নিয়ে বাড়িতে এসে দীর্ঘদিন অবস্থান করতেন। গত শুক্রবার সকালে মাদকের টাকার জন্য সাদ্দাম তাঁর বাবা রেজাউল করিমকে লাঞ্ছিত করেন। এ খবর পেয়ে বড় ভাই হাবিবুল করীম ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হাবিবুল আনোয়ারুল ও অপর এক বন্ধুকে নিয়ে শুক্রবার রাত ১১টায় সাদ্দামকে নিয়ে বাড়ির পাশের মেহগনিবাগানে যান। সেখানে সাদ্দামের কাছে বাবাকে লাঞ্ছিত করার কারণ জানতে চান হাবিবুল। এ নিয়ে কথা–কাটাকাটির পর হাবিবুল তাঁর সহযোগীদের নিয়ে সাদ্দামকে গলায় গামছা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে মৃতদেহ গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। পরে মামলাটি তদন্ত করে পুলিশ এসব তথ্য জানতে পারে।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া দুই আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

