ইউপি সদস্যের লাশ নান্দাইলে পানের বরজে, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় পানের বরজের ভেতরে পাওয়া গেছে খারুয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্যের ক্ষতবিক্ষত লাশ। লাশটি উদ্ধার করে আজ বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের ২৫০ শয্যার আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত সাবেক ইউপি সদস্য হলেন আবু সাঈদ (৫৫)। তিনি উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের ছালুয়াপাড়া গ্রামের সফির উদ্দিনের ছেলে।

সাবেক ইউপি সদস্যের লাশ নান্দাইলে পানের বরজের ভেতরে মিলল
নিহত আবু সাঈদের বড় ছেলে মো. আনিছ মিয়া বলেন, গতকাল বুধবার বিকেলে তাঁর বাবা পাওনা টাকা আদায়ের কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাঁর বাবার সঙ্গে সর্বশেষ মুঠোফোনে কথা হয়েছিল। সন্ধ্যার পর বাবা বাড়িতে না ফিরলে তিনি বেশ কয়েকবার তাঁর মুঠোফোনে কল করেন। ফোনে রিং হলেও কেউ রিসিভ করেননি। পরে রাতে পানের -নান্দাইলবরজের ভেতর একটি লাশ পাওয়ার খবর পান। সেখানে গিয়ে তাঁর বাবার লাশ শনাক্ত করেন। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।
আনিছ মিয়া অভিযোগ করেন, তাঁর বাবা পানের- বরজের মালিক আবদুস সাত্তারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা পেতেন। পাওনা টাকা আদায় করার জন্য তিনি কয়েক মাস ধরে সাত্তারকে তাগাদা দিচ্ছিলেন। তাঁর ধারণা, পাওনা টাকার তাগাদার হাত থেকে পরিত্রাণ পেতে পানের -বরজের মালিক ছাত্তার ও তাঁর দলবল নিয়ে তাঁর বাবাকে হত্যা করে লাশ গুম করার চেষ্টা করেছিলেন।

ঘটনার পর থেকে আবদুস সাত্তারের গা ঢাকা দেওয়ায় অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান আকন্দ মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, সাঈদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুদে টাকা খাটানোসহ বেশ কয়েকটি বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো মামলা করা হয়নি।

